April 5, 2026, 1:08 am

সংবাদ শিরোনাম
হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল ক্যাম্পবেলটাউনে গার্হস্থ্য সহিংসতা প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে যাত্রীবাহী কোচ ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, গুরুতর আহত ৬ ক্যান্সার প্রতিরোধে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের বিকল্প নেই পূর্ব শত্রুতার জেরে রাতের আঁধারে শতাধিক গাছ নষ্টের অভিযোগ
এভাবেই খাবার পৌঁছে দেওয়া হবে অতিথির কাছে।

করোনা ভাইরাসের কারণে যেখানে চালু হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট রেস্তোরাঁ

ডিটেকটিভ আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

mostbet

এভাবেই খাবার পৌঁছে দেওয়া হবে অতিথির কাছে।

করোনা ভাইরাসের কারণে যেখানে বিভিন্ন দেশে বন্ধ হচ্ছে একেকটি রেস্তোরাঁ-হোটেল, সেখানে চালু হচ্ছে ছোট একটি রেস্তোরাঁ।বলা হচ্ছে এটিই বিশ্বের সবচেয়ে ছোট রেস্তোরাঁ।সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাসমাস পার্সসন এবং লিন্ডা কার্লসন দম্পতির মাথায় এই রেস্তোরাঁটির ধারণা আসে। সুইডেনের স্টকহোম থেকে প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার দূরে ভের্মল্যান্ডে রেস্তোরাঁটি চালু করছেন তারা। ১০ মে এটি চালু হবে।এতে শুধু একটিমাত্র চেয়ার আর টেবিল থাকছে। আশপাশে থাকছে না কোনো অতিথি। থাকছে না কোনো শব্দ। নেই ওয়েটার। প্রকৃতির কাছে বসে এমনই এক রেস্তোরাঁ এটি।দিনে এখানে একজনকে পরিবেশন করা হবে খাবার। যাতে রাসমাস এবং লিন্ডা অতিথির প্রতি পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারেন। এমনটিই বলছেন এই দম্পতি।রেস্তোরাঁটিতে খাবার পরিবেশন করা হবে একটি দড়ির মাধ্যমে। দড়িটি বাঁধা থাকবে এই দম্পতির রান্নাঘরের জানালার সঙ্গে। সেখান থেকে একটি ঝুড়িতে করে খাবার দড়ির মাধ্যমে অতিথির কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।রাসমাস এবং লিন্ডা জানিয়েছেন, তারা অর্থোপার্জনের জন্য এটি করছেন না।তারা বলেন, ‘আপনি যে কোনও আর্থিক পরিস্থিতিই থাকুন না কেন, আমরা সবাইকে স্বাগত জানাই। কারণ এখানে কারণ মেন্যুর দাম অতিথির উপর নির্ভর করছে। তিনিই ঠিক করবেন মেন্যুর দাম।রাসমাস ও লিন্ডা বলেন, ‘আমরা সবাই এক কঠিন সময় পার করছি। বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে অনেকে তাদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন। আবার অনেকে চাকরি হারিয়েছেন। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছেন। আমরা তাদের জন্য এই উদ্যোগ নিয়েছি। অতিথি যেন তার নিজের মত করে সময় উপভোগ করতে পারে।রাসমাস ও লিন্ডা জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাসের কারণে অন্যান্য দেশের মত সুইডেনেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য বলা হয়েছে। ফলে তারা ঘরের বাইরে তাদের বাগানে একটি ডাইনিং টেবিল বসান।চারজনের মধ্যে দুইজন ঘরের ভেতর এবং দুইজন বাগানে বসে খাবার খান। মূলত সেখান থেকেই ‘টেবিল ফর ওয়ান’ রেস্তোরাঁটির ধারণা আসে তাদের।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/ ৩ মে ২০২০/ইকবাল

 

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর